মৃত্যুর খুব কাছাকাছি গিয়েও ফিরে এসেছি আজ , খরস্রোতা নদীর হেচকা টানে ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় কোনরকম প্রাণে ফিরে আসাটা ছিলো সত্যিই ভাগ্যের ব্যপার।
থানকুয়াইন ঝর্ণার অপার্থিব সৌন্দর্য্য দেখার পাশাপাশি এমন ভয়ংকর রুপ খুব কাছ থেকে দেখেছি। স্নিগ্ধ পাহাড়ি পরিবেশ আকষিকভাবেই হতে পারে মৃত্যকূপ।
পাথুরে দুর্গম পথ পাড়ি দেওয়ার পাশাপাশি গা শুকানোর আগেই আবারও নামতে হয়েছে শীতল জলে ।
থানকুয়াইন ঝর্ণার অপরুপ সৌন্দর্য দেখার সাথে রাত্রিযাপন ও ঝর্ণার পাশে বসে খাওয়া দাওয়ার অভিজ্ঞতা অবর্ণনীয় ।
এই বন্ধুর পথ ধরে যাওয়ার সময় খুব কাছ থেকে দেখেছি পাহাড়িদের ভিন্ন ধারার জীবন যাপন ।
চোখের সামনে দেখেছি পাহাড় ধ্বসের চিহ্ন, মৃত্যু উপত্যকাকে পিছনে ফেলে আজ হাজির হয়েছি থানকুয়াইন ঝর্ণা ও সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়ার সাথে মেঘের লুকোচুরি দেখতে।
মৃত্যুর খুব কাছাকাছি গিয়েও ফিরে এসেছি আজ , খরস্রোতা নদীর হেচকা টানে ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় কোনরকম প্রাণে ফিরে আসাটা ছিলো সত্যিই ভাগ্যের ব্যপার।
থানকুয়াইন ঝর্ণার অপার্থিব সৌন্দর্য্য দেখার পাশাপাশি এমন ভয়ংকর রুপ খুব কাছ থেকে দেখেছি। স্নিগ্ধ পাহাড়ি পরিবেশ আকষিকভাবেই হতে পারে মৃত্যকূপ।
পাথুরে দুর্গম পথ পাড়ি দেওয়ার পাশাপাশি গা শুকানোর আগেই আবারও নামতে হয়েছে শীতল জলে ।
থানকুয়াইন ঝর্ণার অপরুপ সৌন্দর্য দেখার সাথে রাত্রিযাপন ও ঝর্ণার পাশে বসে খাওয়া দাওয়ার অভিজ্ঞতা অবর্ণনীয় ।
এই বন্ধুর পথ ধরে যাওয়ার সময় খুব কাছ থেকে দেখেছি পাহাড়িদের ভিন্ন ধারার জীবন যাপন ।
চোখের সামনে দেখেছি পাহাড় ধ্বসের চিহ্ন, মৃত্যু উপত্যকাকে পিছনে ফেলে আজ হাজির হয়েছি থানকুয়াইন ঝর্ণা ও সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়ার সাথে মেঘের লুকোচুরি দেখতে।