ঘুষ, মাদক ও চাঁদাবাজি—কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে কি বৈধ?
ঘুষ হারাম—এ কথা কোরআন-সুন্নাহতে স্পষ্ট। মাদক মানুষের জীবন, পরিবার ও সমাজ ধ্বংস করে। চাঁদাবাজি ও অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে নেওয়াও ইসলামের নৈতিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
তাহলে প্রশ্ন হলো—ঘুষ, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করতে এত অনীহা কেন?
ধর্মের কথা বলার সময় কোরআন-সুন্নাহ সামনে থাকে, কিন্তু সমাজের অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সময় সেই কোরআন-সুন্নাহ কোথায়?
তাহলে কি আমাদের ধর্মচর্চা—অর্ধেক কোরআন, আর অর্ধেক নিজের স্বার্থ ও সুবিধা?
যদি সত্যিই সমাজ সংস্কারের কথা বলতে হয়, তাহলে শুধু সুবিধাজনক বিষয় নিয়ে নয়—ঘুষ, দুর্নীতি, মাদক, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি—সব অন্যায়ের বিরুদ্ধেই সমানভাবে কথা বলতে হবে।
কারণ ইসলাম শুধু মুখের বক্তব্য নয়; ইসলাম ন্যায়, সততা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ারও নাম।
আমার ছোট বাবার কোরআন তেলাওয়াত শুনে আশবেন আমার আইডি থেকে মোঃ আবু রায়হান সবাই দোয়া করবেন আমিন ❤