Kanaipur Baruni Mela-Nabiganj-Habiganj-কানাইপুর বারুণী মেলা- নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ
কানাইপুর বারুণী মেলা,হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার শতাধিক বছরের পুরানো একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা।
কানাইপুর বারুনী মেলার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:-
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার কানাইপুর বারুনী মেলা,ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিবেচনায় এটি নবীগঞ্জ উপজেলার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রামীণ উৎসব।
কানাইপুর গ্রামের বাসিন্দা ও নবীগঞ্জ উপজেলার সুনামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব সুকেশ চন্দ্র শীল উক্ত গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিদের কাছ থেকে এই মেলার ইতিহাস ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
ধারণা করা যায় প্রায় শত বছর আগে এই মেলাটি শুরু হয়েছিল।
নবীগঞ্জ উপজেলার জন্তুরী গ্রামের তৎকালীন জমিদার বরোদাকান্ত পুরকায়স্থ উনার জমিদারি এলাকায় বর্তমান নবীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নং নম্বর ওয়ার্ডের হরিপুর নামক স্থানে শাখা বরাক নদীর উত্তর পাড়ে বারুণী স্নান উৎসবকে ঘিরে প্রথম এই মেলার প্রচলন করেন।
বাংলা সনের প্রতি চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে শতভিষা নক্ষত্র যোগ হলে সে তিথি বারুণী নামে অভিহিত হয়। ঐ সময় হিন্দু ধর্মালম্বীরা পূণ্যের আশায় যে স্নান বা গোসল করেন তাই বারুনী স্নান উৎসব নামে পরিচিত। জমিদার বরোদাকান্ত বারুণী স্নানের জন্য একটি পুকুর ও খনন করেন।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় জমিদার বরোদাকান্ত সপরিবারে ভারত চলে যান,পরবর্তীতে এ মেলার স্থান নির্ধারণ নিয়ে সংকট দেখা দেয়।
কিন্তু কানাইপুর গ্রামের জমিদার রায় বাহাদুর কমলাকান্ত ঘোষের নায়েব সতীশবাবু মেলাটি হরিপুর থেকে শাখাবরাক নদীর দক্ষিণ পাড়ে কানাইপুর মাঠে নিয়ে আসেন।
১৯৬২ সালের পরে ওই সময়ের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এই মেলাটিকে বর্তমান নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মাঠে স্থানান্তর করেন।
মেলা স্থানান্তরের কারণে কানাইপুর গ্রামের হিন্দু-মুসলমান একত্রিতভাবে এর বিরুদ্ধে আপত্তি জানান এবং তারা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় জয়ী হয়ে আবারও এই মেলাটি কানাইপুর মাঠে ফিরে আসে, সেই থেকে এখন পর্যন্ত নির্বিঘ্ন ভাবে কানাইপুর মাঠেই মেলাটি চলছে।
ভিডিওটি যদি ভালো লাগে সবাই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করবেন।
আমার ইউটিউব চ্যানেল:
tourwithsunny
আমার ফেসবুক পেজ:
www.facebook.com/tourwithsunnyofficial
Kanaipur Baruni Mela-Nabiganj-Habiganj-কানাইপুর বারুণী মেলা- নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ
কানাইপুর বারুণী মেলা,হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার শতাধিক বছরের পুরানো একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা।
কানাইপুর বারুনী মেলার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:-
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার কানাইপুর বারুনী মেলা,ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিবেচনায় এটি নবীগঞ্জ উপজেলার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রামীণ উৎসব।
কানাইপুর গ্রামের বাসিন্দা ও নবীগঞ্জ উপজেলার সুনামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব সুকেশ চন্দ্র শীল উক্ত গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিদের কাছ থেকে এই মেলার ইতিহাস ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
ধারণা করা যায় প্রায় শত বছর আগে এই মেলাটি শুরু হয়েছিল।
নবীগঞ্জ উপজেলার জন্তুরী গ্রামের তৎকালীন জমিদার বরোদাকান্ত পুরকায়স্থ উনার জমিদারি এলাকায় বর্তমান নবীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নং নম্বর ওয়ার্ডের হরিপুর নামক স্থানে শাখা বরাক নদীর উত্তর পাড়ে বারুণী স্নান উৎসবকে ঘিরে প্রথম এই মেলার প্রচলন করেন।
বাংলা সনের প্রতি চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে শতভিষা নক্ষত্র যোগ হলে সে তিথি বারুণী নামে অভিহিত হয়। ঐ সময় হিন্দু ধর্মালম্বীরা পূণ্যের আশায় যে স্নান বা গোসল করেন তাই বারুনী স্নান উৎসব নামে পরিচিত। জমিদার বরোদাকান্ত বারুণী স্নানের জন্য একটি পুকুর ও খনন করেন।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় জমিদার বরোদাকান্ত সপরিবারে ভারত চলে যান,পরবর্তীতে এ মেলার স্থান নির্ধারণ নিয়ে সংকট দেখা দেয়।
কিন্তু কানাইপুর গ্রামের জমিদার রায় বাহাদুর কমলাকান্ত ঘোষের নায়েব সতীশবাবু মেলাটি হরিপুর থেকে শাখাবরাক নদীর দক্ষিণ পাড়ে কানাইপুর মাঠে নিয়ে আসেন।
১৯৬২ সালের পরে ওই সময়ের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এই মেলাটিকে বর্তমান নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মাঠে স্থানান্তর করেন।
মেলা স্থানান্তরের কারণে কানাইপুর গ্রামের হিন্দু-মুসলমান একত্রিতভাবে এর বিরুদ্ধে আপত্তি জানান এবং তারা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় জয়ী হয়ে আবারও এই মেলাটি কানাইপুর মাঠে ফিরে আসে, সেই থেকে এখন পর্যন্ত নির্বিঘ্ন ভাবে কানাইপুর মাঠেই মেলাটি চলছে।
ভিডিওটি যদি ভালো লাগে সবাই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করবেন।
আমার ইউটিউব চ্যানেল:
tourwithsunny
আমার ফেসবুক পেজ:
www.facebook.com/tourwithsunnyofficial