আমি আমার ব্যক্তিগত মত হিসেবে বলতে পারি, বিজেপিরও পাল্টা আন্দোলন করা উচিত। সময় থাকতে যদি সঠিক সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয় এবং পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বড় সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশের হাসিনা সরকারের পরিস্থিতি থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
তাই আমি অনুরোধ করব, সময় থাকতে বিজেপি সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং চলমান আন্দোলন বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন।
আরশোলাদের আন্দোলনের আড়ালে হিন্দু বিরোধিতার আন্দোলনের জবাব হিন্দু সরকার ও হিন্দু সমাজকে একসাথে দিতে হবে, যাতে হিন্দু প্রধান দেশ ভারতে হিন্দু বিরোধী আন্দোলন করতে আগামীতে আর কেউ সাহস না পায়।
ওটা ইন্ডি জোট নয় পিন্ডি জোট! ওদের প্রধানমন্ত্রী সবাই হবে এক ঘন্টা করে করে! পিন্ডি জোটের একজনকেও দেখাক দেখি যার যোগ্যতা আছে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার!? কেউ নেই কেউ নেই!
এটাই দরকার ,কেননা এদের আন্দোলন বিকৃত রাজনীতির অঙ্গ,,ফাজলামি হচ্ছে বিরোধী পার্টি এসব করছে কারণ ওদের ঝাণ্ডা আর কাজ করবে না ,তাই কাউন্টার করাই বিকল্প ,লেলিয়ে দেওয়া হোক বাকি সংঘঠন কে
ককরোজ হয়ে যারা হিন্দু বিদ্বেষী দেশদ্রোহী যড়যন্ত্র করছে এবং কিছু বিদেশী দালালের হয়ে কাজ করছে সে সব দল নেতা কে সনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক, হিন্দুস্থান জিন্দাবাদ,বি জে পি জিন্দাবাদ 🌻🌻🌻🙏
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ,আর এস এস,বজরঙ্গ দল এবং বিজেপি সরকার যদি এখন ও চুপচাপ বসে থাকেন তাহলে সব কিছু হাতের বাইরে চলে যাবে,কারণ এই আরশোলা দের পেছনে আছে ডিপ স্টেট তথা দেশ বিরোধী কিছু স্বদেশী দল, জয় হিন্দ ভারত মাতার জয়।
তাই আমি অনুরোধ করব, সময় থাকতে বিজেপি সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং চলমান আন্দোলন বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন।